ধর্ম
রমজানে অফিস চলবে নতুন সময়ে
জমাদিউল আউয়াল মাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাসমূহ
ইসলামী চান্দ্রবর্ষের পঞ্চম মাস জমাদিউল আউয়াল। মুসলিম ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ সময়। চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে এই মাসে ২৯ বা ৩০ দিনের হয়ে থাকে।
আশুরার গুরুত্ব ও কারবালার ঘটনা
আশুরা অর্থাৎ মুহাররম মাসের ১০ তারিখ, ইসলামী ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বেদনাবিধুর দিন। এইদিনে বহু ঐতিহাসিক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে, যার মধ্যে সর্বাধিক স্মরণীয় ও হৃদয়বিদারক হলো ইমাম হুসাইন (রা.)-এর শাহাদাত। এই ঘটনা ইসলামের ইতিহাসে শুধু একটি রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংঘাত ছিল না; এটি ছিল ন্যায় ও সত্যের পক্ষে দঁাড়ানোর এক অনন্য উদাহরণ। আশুরার দিনে (১০ মুহাররম) ইতিহাসে বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে, যেগুলো ইসলামী ও পূর্ববর্তী নবীদের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছে। নিচে আশুরার কয়েকটি ঐতিহাসিক ঘটনা উল্লেখ করা হলো :
ডায়াবেটিস পরীক্ষায় কি অজু ভেঙে যাবে
ইসলামের অন্যতম রুকন নামাজ। নামাজ আদায়ের জন্য অজু আবশ্যক। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘জান্নাতের চাবি নামাজ। আর নামাজের চাবি হচ্ছে অজু।’ (জামে তিরমিজি: ৪)। অজু করার পর বেশ কিছু কারণ পাওয়া গেলে তা ভেঙে যায়।
মহররম মাসের মাহাত্ম্য ও আশুরার ফজিলত
আরবি মাসের প্রথম মাস মহররম। আরবি শব্দ মহররম-এর অর্থ সম্মানিত। ইতিহাসে এ মাসের সঙ্গে অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। এ কারণে এ মাসকে সম্মানিত হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। হাদিসে মহররম মাসকে শাহরুল্লাহ বা আল্লাহর মাস বলা হয়েছে। মূলত মহররম মাসকে অধিক ফজিলতপূর্ণ বোঝাতে এ মাসকে আল্লাহর মাস হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
মহানবীর (সা.) ওপর আমরা দরুদ পড়ি কেন?
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নাম উচ্চারণ করলেই আমরা দরুদ ও সালাম পাঠ করি। কিন্তু কেন আমরা তা পাঠ করি? এর প্রকৃত কারণ জানলে তা শুধু নবীজির প্রতি আমাদের ভালোবাসা বৃদ্ধি করবে না, বরং বুঝতে সাহায্য করবে যে মহানবী (সা.) কত মহান ছিলেন।
পবিত্র আশুরার ছুটি কবে জানা যাবে সন্ধ্যায়
পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা ও আশুরার তারিখ নির্ধারণে আজ বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সন্ধ্যায় বৈঠকে বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।
মা বাবার সেবা বয়ে আনে ইহকালীন ও পরকালীন সফলতা ও সৌভাগ্য
সন্তানের প্রতি বাবা মায়ের ভালোবাসার একটি গল্প সন্তানের প্রতি বাবা মায়ের ভালোবাসা কেমন হয় তার একটি গল্প বলি। হাদীসের গল্প। আম্মাজান আয়েশা রা বলেন, একদিন আমার নিকট একজন ভিক্ষুক নারী এলেন। সাথে ছিল তার দু’টি কন্যা সন্তান। তাকে আমি তিনটি খেজুর দিলাম। তিনি খেজুর তিনটি থেকে দু’টি দুই মেয়েকে দিলেন। আরেকটি নিজে খাওয়ার জন্য মুখের কাছে নিলেন। এমতাবস্থায় সেই একটি খেজুরও মেয়েরা খেতে চাইল। আর অমনি সেই খেজুরটিকে তিনি দুই ভাগ করে দুই মেয়ের মুখে উঠিয়ে দিলেন। আয়েশা রা বলেন, এ ঘটনা আমাকে প্রচন্ডভাবে নাড়া দিল। ফলে ঘটনাটি আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে বললাম। সব শুনে তিনি বললেন, নিশ্চয় এই খজুরের বদলায় আল্লাহ তাআলা এই মা এর জন্য জান্নাত ওয়াজিব করে দিয়েছেন। অথবা তিনি বলেছেন, নিশ্চয় এই খেজুরের বদলায় আল্লাহ এই মাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়েছেন। [মুসলিম, হাদীস: ২৬৩০] সন্তানের প্রতি বাবা-মায়ের দরদ ও ভালোবাসা এমনই হয়।











